শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ ইং         ১০:৩৮ অপরাহ্ন
  • মেনু নির্বাচন করুন

    প্রতারক সুন্দরী লিলির উপর্যুপুরী মিথ্যা মামলায় দিশেহারা মিরসরাইয়ের প্রবাসী পরিবার


    ফাইল ছবি
    শেয়ার করুনঃ

    রোকসানা আক্তার প্রকাশ সুন্দরী লিলির মিথ্যা মামলার প্রতিকার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে মিরসরাইয়ের ওমান প্রবাসী ইউনুসের পরিবার। রবিবার (২৯ নভেম্বর) মিরসরাই প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এসময় প্রবাসী পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ইউনুসের পিতা আবুল কালাম, বড় ভাই রেজাউল করিম, বোন বিবি রহিমা ও ভগ্নিপতি জসিম উদ্দিন।

    সংবাদ সম্মেলনে ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে হয়রানীর শিকার প্রবাসী ইউনুসের পরিবারের পক্ষে তার বড় ভাই রেজাউল করিম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, ঢাকার বাসিন্দা প্রতারক সুন্দরী লিলি একজন সঙ্গবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য। তার পেশা প্রবাসী যুবকদের ফেইসবুকে কৌশলে বন্ধু তালিকায় যুক্ত হয়ে যৌন আবেগকে কাজে লাগিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের সর্বস্ব হাতিয়ে নেওয়া। সম্পর্কের প্রথম দিকে প্রতারক সদস্য লিলি যুবকদের কাছে নিজেকে পিতা-মাতাহীন এতিম অসহায় নারী হিসেবে প্রকাশ করে মানুষের কোমল মনে স্থান করে নেয়। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে বেরিয়ে আসে তার আসল চরিত্র। আমার প্রবাসী ভাই ইউনুসকে চলে বলে কৌশলে আর্থিক লাভের লোভ দেখিয়ে তার স্বামী জাকির হোসেনের ব্যবসায়ের অংশীদার করার কথা বলে ২০ লক্ষ  টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পরবর্তীতে আমার প্রবাসী ভাই ইউনুস যখন বুঝতে পারে লিলি ও তার স্বামী একটি প্রতারক চক্রের সদস্য। তখন আমার ভাই প্রতারক লিলি থেকে দূরে সরে যেতে চাইলে লিলি ও তার চক্রের সদস্যরা আমার ছোট ভাইয়ে কাছে গোপন ভিড়িওর ভয় দেখিয়ে আরো ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করে। ১৫ লক্ষ টাকা না দিলে প্রতারক লিলি আমার ভাইয়ের সাথে লিলির বিয়ে হয়েছে মর্মে দুইটি ভূয়া কাবিন তৈরি করে আদালতে দাখিল করে। দেনমোহর ও ভরণপোষণ বাবদ একাধিক দাবীতে মামলা করে ঢাকার একটি আদালতে। প্রতারক লিলি মামলার নথি হিসেবে আদালতে জমাকৃত প্রথম কাবিনটি আদালতের নির্দেশে নিকাহ রেজিষ্ট্রারের সত্যতা যাচাই করলে নিকাহ রেজিষ্টার কর্তৃক ভূয়া কাবিন বলে প্রমাণিত হয়। প্রথম কাবিন ভূয়া প্রমাণিত হওয়ার পর প্রতারক লিলি ও তার চক্র পুণরায় আরেকটি ভূয়া কাবিন তৈরি করে আদালতে দাখিল করে যা এখনো তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা আশা করছি উক্ত কাবিন ও ভূয়া বলে প্রমাণিত হবে। 

    তিনি আরো বলেন, লিলিকে ১৫ লক্ষ টাকা দিতে রাজি না হলে আমার ভাই ইউনুসকে আসামি করে ভরনপোষণ ও দেনমোহর বাবদ প্রায় ২০ লাখ টাকা চেয়ে ৩য় সিনিয়র সহকারী জর্জ ও পারিবারিক আদালত, ঢাকা বরাবর মামলা করে। এছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের হয়রাণি করতে সকল সদস্যদের আসামী করে পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইনে মামলা করে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে। এতে আসামী করা হয়েছে ইউনুসসহ পিতা-মাতা, বোন, জামাতাসহ সাত জনকে। এছাড়া চট্টগ্রাম আদালতেও একটি মামলা করেছে যা আমাদের অজান্তেই আমাদের নামে ওয়ারেন্ট হয়। তার হয়রানি থেকে আমরা পরিত্রাণ চাই। আদালতে ভূয়া প্রমাণিত কাবিনের বিরুদ্ধে আমরা চট্টগ্রাম আদালতে প্রতারণা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

    ইউনুসের পরিবারের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে ইমোতে অডিও বার্তায় রোকসানা আক্তার লিলি বলেন, প্রতারক আমি না ওরা? কোর্ট ওকে রায় দেয় নাই, যে ও প্রমাণ করেতে চাচ্ছে আমি ভূয়া। ভূয়া ও প্রমাণ হবে, এ দেশে আইন এতো সোজা না। ও আমার সাথে চিট করছে, আমার কাছ থেকে টাকা নিছে পয়সা নিছে। গ্রামের -মেম্বার, চেয়ারম্যান সবাই সাক্ষী আছে, আমার জন্য অলরেডি স্বাক্ষী দিচ্ছে। কারণ প্রুফ ছাড়া পৃথিবীতে কেউ কারো পাশে দাঁড়ায় না।



    আপনার মন্তব্য লিখুন
    © 2025 chhagalnaiya.com All Right Reserved.